
মাইনউদ্দিন জমাদার : চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন এর প্রত্যাহারের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাজারের দোকান বন্ধসহ ৪ পর্বের কর্মসূচি ঘোষণা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চরফ্যাশন বাজার ব্যবসায়ীবৃন্দ৷
বুধবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর ২টায় চরফ্যাশন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির হলরুমে সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি একথা জানানো হয়৷
কর্মসূচীগুলো হচ্ছে- এক. আগামী ২২ নভেম্বর কর্মদিবসের মধ্যে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিনকে প্রত্যাহার করতে হবে।
দুই. এই সময়ের মধ্যে তাকে প্রত্যাহার না হলে আগামী ২২ নভেম্বর বিকেল ৩ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
তিন. আগামী ২৩ নভেম্বর হতে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চরফ্যাশন উপজেলায় সকল পণ্য আমদানী-রপ্তানি বন্ধ থাকবে।
চার. আগামী ০১ ডিসেম্বর থেকে ‘বিতর্কিত’ চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত চরফ্যাশনের হোটেল, রেস্তোরা ও ঔষধের দোকান ব্যতীত সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
চরফ্যাশন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি প্রভাষক মনির উদ্দীন চাষি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নির্বাহী অফিসার উপজেলা প্রশাসনের ফেইসবুক আইডিতে ব্যাবসায়ীদের অবগতি করে ১০ দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসক এর কার্যালয় থেকে ডিলিং লাইসেন্স সংগ্রহ করার জন্য, কিন্তু তিনি ঘোষণার ১ দিনের মধ্যেই অর্থাৎ ১৬ নভেম্বর ডিলিং লাইসেন্স এর অভিযান পরিচালনা করে ১০ হাজার টাকা করে গণহারে জরিমানা করেন। জরিমানা রশিদের অধিকাংশই ছিলো স্বাক্ষরবিহীন। বিষয়টি ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ জানতে চাইলে তিনি অশোভন আচরণ করেন। তিনি আরো বলেন, মহামারী করোনার প্রাদুর্ভাবে যেখানে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দু’মুঠো খাবার যোগাতে কষ্ট হয়, সেখানে অসংখ্যবার মোবাইল কোর্টের নামে চরফ্যাশন বাজারের ব্যবসায়ী এবং ক্রেতাদের থেকে লাখ লাখ টাকা তুলে নিচ্ছে ইউএনও৷ ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়েছে বাজার৷ ব্যবসায়ীরা ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না৷ এমন অবস্থায় বিতর্কিত ইউএনও প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলবে৷
উল্লেখ্য,চরফ্যাশন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন এর প্রত্যাহারের দাবিতে গত সোমবার (১৬ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৩০মিঃ সময় চরফ্যাশন সদর রোডে বাজার ব্যবসায়ী সমিতির আয়োজন বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
শীর্ষবাণী/এনএ















