
ঢাকা অফিসঃ ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়ি ইউনিয়নে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় এক দোকানদার, তার বাবা ও চাচাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা।
দোকান ভাঙচুর, লুটপাট, মাথা ফাটিয়ে দেওয়া এই হিংস্রতা এখন গণতন্ত্রের মুখোশ পরা একটা চাঁদাবাজ বিএনপির স্বাভাবিক আচরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এটাকে যারা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে তাদের এই ন্যারেটিভ সন্ত্রাসকে প্রতিহত করা প্রয়োজন।
এদের দল চলে চাঁদায়, মিটিং চলে চাঁদায়, নেতা চলে চাঁদায়, ‘আন্দোলন’ চলে চাঁদায়। আর চাঁদা না দিলে? হামলা, ভাঙচুর, রক্তাক্ত করা, খুন করা, রেইপ করা, লাশের উপর নৃত্য করা।
আপনি নারায়ণগঞ্জ দেখুন, কুমিল্লা দেখুন, যাত্রাবাড়ি দেখুন, পুরান ঢাকা দেখুন, পুরো দেশ দেখুন। চাঁদা দিতে না চাওয়ায় দোকানদার, পরিবহন মালিক, ব্যবসায়ী কার রক্ত ঝরে নাই? সবার রক্ত ঝরেছে। এখন সেই তালিকায় যোগ হলো ঈশ্বরগঞ্জ।
বিএনপি প্রকাশ্যে এসব ঘটনা দেখেও চুপ। কারণ, এই চাঁদার টাকাই তাদের রাজনীতির অক্সিজেন। এই টাকাই মহানগর থেকে লন্ডন পর্যন্ত ভায়া ইশরাক ঘুরে ঘুরে পৌঁছে যায়। এই চাঁদার টাকায় ভাড়া করা হয় “ ঘোঁৎঘোঁৎ বুদ্ধিজীবী শুওর”।
প্রশ্ন হলো যে দল নিজের রাজনীতি চালাতে জনগণের শরীর থেকে রক্ত খরচ করাচ্ছে, হত্যা করছে তারা ক্ষমতায় গেলে কী করবে?
এখন পরিস্থিতি এমন হয়ে গেছে বেচে থাকতে চাইলে চাঁদা দাও, ব্যবসা করতে চাইলে চাঁদা দাও! না দিলে বাঁচবে না দোকানদার, বাঁচবে না কেউই। এটাই বিএনপির রাজনৈতিক অর্থনীতি, আর এই চাঁদাবাজিই তাদের ফাইন্যান্সিয়াল মডেল।















