
স্থানীয় আওয়ামী লীগ সতর্ক থাকলে নোয়াখালীর চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা কোনোভাবেই ঘটতো না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এই ঘটনা তাঁকে দুঃখ ও লজ্জা দিয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি আরেকটি ওয়ান-ইলেভেন ঘটানোর জন্য খেলা শুরু করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির পক্ষ থেকে নোয়াখালীর চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ত্রাণসামগ্রী হস্তান্তর করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অভিযোগ করে বলেন, ভোটের সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে সবাই ভোট চাইতে যায়। কিন্তু তাদের ওপর হামলার সময় আওয়ামী লীগের মতো এত বড় রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা কেন নিশ্চুপ ছিল তার জবাব খুজে বের করা গুরুত্বপূর্ণ।
ওবায়দুল কাদের দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘ভোট আসলে আমরা হিন্দুদের কাছে গিয়ে মায়াকান্না করি। দরদ দেখাই। হিন্দুদের বিপদের সময় আমরা তাদের পাশে দাঁড়াতে পানিনি কেন? আমাদের এত বড় সংগঠন, এত কর্মীবাহিনী। কুমিল্লার ঘটনার পরদিন চৌমুহনীর ঘটনা, যদি কঠোরভাবে সতর্কতা আপনারা অবলম্বন করতেন… সবকিছু প্রশাসনের দিকে তাকিয়ে হয় না।’
‘এটা আমাকে দুঃখ দিয়েছে। নোয়াখালীর সন্তান হিসেবে আমি নিজে লজ্জা পেয়েছি’, যোগ করেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী।
আওয়ামী লীগের পক্ষে একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা এবং সরকারের পক্ষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বলে জানান ওবায়দুল কাদের। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের সবাইকে সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।















