যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে শুল্ক আরও কমার সম্ভাবনা দেখছেন উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রক্রিয়াধীন বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে বাংলাদেশের পণ্যে আরোপিত শুল্কহার আরও কমতে পারে—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা জানান, আগামী সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের কথা রয়েছে।

শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পণ্যের ওপর একসময় ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। আলোচনার মাধ্যমে তা কমিয়ে ২০ শতাংশে নামানো সম্ভব হয়। তার ভাষায়, “চুক্তির শর্তাবলি যদি প্রকাশ্যে না আসত, তাহলে শুল্কহার ২০ শতাংশের নিচেও নামিয়ে আনা যেত বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ ক্ষেত্রে আমরা কিছুটা বিব্রত হয়েছি। বাংলাদেশই একমাত্র দেশ, যার সঙ্গে হওয়া চুক্তির শর্ত বিশ্বব্যাপী প্রকাশিত হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, ৯ ফেব্রুয়ারির চুক্তিকে সামনে রেখে শুল্কহার আরও কতটা কমানো যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে এ মুহূর্তে নির্দিষ্ট কোনো হার জানানো সম্ভব নয়। “আমরা সামগ্রিকভাবে সব পণ্যের শুল্ক কমানোর কথা ভাবছি না। আমাদের মূল লক্ষ্য গার্মেন্টস খাত। এই খাতে শুল্ক শূন্যে নামিয়ে আনার জন্যই আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে,” বলেন উপদেষ্টা।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি জানান, দেশটিতে প্রায় এক লাখ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানির সুযোগ রয়েছে এবং এই অঙ্ক আরও বাড়তে পারে। “এই বিশাল সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি,” যোগ করেন তিনি।