
জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফর আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। দলের নেতৃত্বে ছিলেন আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও পঞ্চম এলডিসি সম্মেলনের মহাসচিব রাবাব ফাতিমা।
অন্তর্বর্তী সরকারের অনুরোধে নির্বাচনকালীন অবস্থার কারণে সফরটি করা হচ্ছে না। নতুন সফরের তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসতে পারে।
জাতিসংঘ গত নভেম্বরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, এলডিসি থেকে উত্তরণের সম্ভাব্য প্রভাব এবং নির্বিঘ্ন উত্তরণ কৌশল প্রণয়নের জন্য তথ্য ও মতামত সংগ্রহ করেছে। বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, “প্রতিনিধিদল এখন আসছে না মানে পরে আসবে, তবে মূল্যায়ন প্রতিবেদন আমরা পেয়ে যাব।”
এদিকে ব্যবসায়ীরা প্রস্তুতির ঘাটতির বিষয় তুলে এলডিসি থেকে উত্তরণ পেছানোর দাবি জানিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, উত্তরণ হলে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার শুল্কমুক্ত সুবিধা বন্ধ হতে পারে এবং রপ্তানি ৬-১৪ শতাংশ কমতে পারে।
বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি মো. ফজলুল হক বলেন, “দেশের কারিগরি শিক্ষা, উৎপাদনশীলতা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও অবকাঠামোর সমস্যা সমাধান না করে কেবল নামমাত্র উত্তরণ লাভজনক হবে না।”
জাতিসংঘের অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশ ২৪ নভেম্বর ২০২৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এলডিসি থেকে উত্তরণ করবে।















