সোশ্যাল মিডিয়ার নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিতে রাষ্ট্রের ভূমিকা অপরিহার্য: ধর্ম উপদেষ্টা

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেন সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপরই বর্তায়। তিনি বলেন, ইসলাম শান্তি, সত্য, এবং জ্ঞানের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উপর গুরুত্ব দেয়। তাই রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা মানবজাতির কল্যাণে এক শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি এই বক্তব্য রাখেন পাকিস্তানের ইসলামাবাদে জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সীরাতুন্নবী (সা.) সম্মেলনের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে। এই সম্মেলনের আয়োজন করে পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি মন্ত্রণালয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এ বছর সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল: “মহানবী (সা.)-এর শিক্ষার আলোকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহারে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে রাষ্ট্রের দায়িত্ব।”

ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়া শুধু যোগাযোগের নয়, বরং শিক্ষা, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ এবং চিন্তাধারায় প্রভাব বিস্তারকারী এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই মাধ্যমটি যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, তাহলে তা দ্বীনি দাওয়াত, নৈতিকতা বিকাশ এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। তবে এর অপব্যবহার সমাজে নৈতিক অবক্ষয়, অশ্লীলতা, গুজব এবং বিভ্রান্তিকর মতবাদের বিস্তার ঘটাতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন পাকিস্তানের ফেডারেল ধর্মমন্ত্রী সরদার মুহাম্মদ ইউসুফ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের দারিদ্র্য দূরীকরণ মন্ত্রী ইমরান শাহ, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের ধর্ম উপদেষ্টা ও শরীয়াহ কোর্টের প্রধান বিচারপতি শায়খ মাহমুদ সিদক, বাহরাইনের শরীয়াহ শুরা কাউন্সিলের সদস্য শায়খ আদিল আবদুর রহমান এবং মিশরের দারুল ইফতার সচিব শায়খ আবদুল হামিদ রাগীবসহ বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা।