কল্যাণ ট্রাস্ট সম্পর্কে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে নিন্দা জ্ঞাপন

শীর্ষবাণী, ঢাকা অফিস: ১৩ ফেব্রুয়ারী, শনিবার সন্ধ্যা সাতটায় Channel 9 এ প্রকাশিত 9 Investigation প্রতিবেদনের প্রতি কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদনটি একটি মহল বিশেষের প্ররোচনায় মনগড়া, ভুল ও মিথ্যা তথ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে তা সুস্পষ্টভাবে লক্ষণীয়। এতে জনমনে বিভ্রান্তির অবকাশ রয়েছে। প্রতিবেদনটিতে কল্যাণ ট্রাস্টের দৈনিক হাজিরাভিত্তিক কর্মরত আয়া (ক্লিনার) সালমা বেগমকে সচিবের অফিস সহকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ সচিবের দফতরে অফিস সহকারী কোন পদই নেই। প্রতিবেদনে দৈনিক হাজিরাভিত্তিক পিয়ন মোঃ সুজন মিয়া ও ডে-গার্ড মোঃ আক্তারুজ্জামানকেও অফিস সহকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতেই বুঝা যায় প্রতিবেদনের সত্যতা ও বস্তুনিষ্ঠতা কতটুকু। প্রকাশিত প্রতিবেদনে কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব অধ্যক্ষ মোঃ শাহজাহান আলম সাজু সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন কল্যাণ ট্রাস্টের কোন কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উক্ত প্রতিবেদনটিতে অত্যন্ত সুকৌশলে কল্যাণ ট্রাস্টের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। অথচ প্রতিবেদনে অভিযোগকারী কে? কি অনিয়ম হয়েছে? আবেদনের নাম্বার কত এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য না থাকায় প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দেয়। কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ যে কোন অভিযোগকে স্বাগত জানায় এবং কারো বিরুদ্ধে সঠিক অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বদ্ধ পরিকর। এতে করে প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও স্বচ্ছতা বাড়ে। এসব বিবেচনা করে কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিবেদনে উল্লেখিত অভিযোগের সতত্য খতিয়ে দেখছে।

কল্যাণ ট্রাস্টে অর্থ সংকট, জনবল স্বল্পতা, নিজস্ব অফিস সংকটসহ নানাবিধ সমস্যা মোকাবেলা করে সরকারের শুদ্ধাচার নীতি অনুসরণ ও বাস্তবায়নে কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। কোভিড-১৯ করোনা মহামারীর প্রাদূর্ভাবের মধ্যেও কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা কর্মচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষক কর্মচারীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। করোনাকালীন এই মহাদুর্যোগের মধ্যেও কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ ৮৩৭৫ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীকে প্রায় ৩৬৫ কোটি টাকা কল্যাণ সুবিধা প্রদান করেছে। এখানে উল্লেখ, ১৯৯০খ্রি. থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কল্যাণ সুবিধা বাবদ প্রদান করা হয়েছে ২৭৯ কোটি টাকা। অথচ বর্তমান সরকারের সময়ে গত ১১ বছরে ১ লক্ষ ২০ হাজার ৭০৬ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীকে ২ হাজার ৭ শত ৫৩ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অবসরপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা, অসুস্থ, কন্যাদায়গ্রস্ত, মৃত ও অসহায় শিক্ষক কর্মচারীদের বাড়ি বাড়ি, এমনকি হাসপাতালে গিয়েও কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব কল্যাণ সুবিধার টাকা পৌছে দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছেন।

শীর্ষ বাণী /এন