
মাইন উদ্দিন জমাদার: চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানার চর যমুনা গ্রামে একটি স্কুলের ৮ম শ্রেনীতে পড়ুয়া ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই গ্রামের হাফেজউল্লাহ বাহার ও তার ২ ছেলে মোঃ শাহীন এবং শামীম দুই সহোদর ৩ জনকে আসামী করে দুলারহাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন ধর্ষিতার মা।
এজাহারে বাদীনী দাবী করেন, তার কন্যা ঘটনারদিন সকালে স্কুলের এস্যাইনমেন্ট জমা দিয়ে বাড়ী ফেরার পথে চেতনা নাশক ঔষধ মিশানো রুমাল দিয়ে মুখ ছেপে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন শাহীন।
পরবর্তীতে ওই ছাত্রীকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর লোকমুখে জানতে পারেন মেয়ে ওই ইউপির মহিলা মেম্বারের বাড়ীতে। তখন বাদীনী মহিলা পুলিশের সহযোগিতায় ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে।
তার দাবী মেয়েকে চিকিৎসা পর্যন্ত করতে দেয়নি ধর্ষকের বাবা ও ভাই। তবে ধর্ষকের বাবা প্রভাবশালী হওয়ায় এবং বিয়ের আশ্বাসের কারণে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে।
দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন জানান, ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে প্রায় ১ মাস পর বাবা ও ছোট ভাই সহ ৩ জনকে আসামি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন।
এ দিকে স্থানীয়রা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, একজন ইউপি সদস্য সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে শালিস বৈঠকে ধর্ষিতার পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে নির্যাতিতাকে দ্রুত অন্যত্রে বিয়ে অথবা ঢাকায় কোন একটি গার্মেন্টস পাঠিয়ে দিতে ফন্দি আটে। ৫০ হাজার টাকায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়া হয়েছে। এ জন্যেই মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে। বিচার করেছেন এমন একজন নীলকমল ইউপি ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার কালাম বিচার করার কথা স্বীকার করেছেন। কোন ধরনের ফয়সালায় যেতে পারেননি।
নির্যাতিতার দাবী ধর্ষকের বাবা, ভাই তার (শাহীনের) সাথে বিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপন করেছেন। এজন্যই মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে। দুলারহাট থানার মামলা নং -১ তাং ১২ জানুয়ারি। বাদীনির দাবী মামলা করার ৭ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। এদিকে এ মামলা দায়েরের পর থেকে ধর্ষক শাহীনের পরিবারের কোন সদস্যই বাড়িতে নেই।
শীর্ণবাণী/ এনএ















