কাবুলে বন্ধ দূতাবাসগুলো পুনরায় খোলার আহ্বান তালেবানের

আফগানিস্তান থেকে সম্পূর্ণভাবে সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে আমেরিকা। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর পর বিদেশি সেনাদের হাত থেকে মুক্ত হলো আফগানিস্তান। গত সোমবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের শেষ ফ্লাইট কাবুল ছাড়ার পর আফগানিস্তানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে তালেবান। এতে আফগানিস্তানে চূড়ান্তভাবে শেষ হয় মার্কিন অধ্যায়।

এর আগে ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। এরপর সে দেশ থেকে বিদেশি নাগরিক এবং ঝুঁকিতে থাকা আফগানদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করে বিভিন্ন দেশ। এ সময় তারা ফিরিয়ে নেয় নিজেদের দূতাবাসের কর্মীদেরও। বন্ধ করে দেয় দূতাবাস।

আর এ দূতাবাসগুলো পুনরায় খোলার আহ্বান জানিয়েছে তালেবান। মঙ্গলবার আফগানিস্তানের গণমাধ্যম টোলো নিউজ এ তথ্য জানায়।
তালেবান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন তারা কাবুলে বন্ধ হয়ে যাওয়া দূতাবাস পুনরায় খোলে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তারা অনুরোধ জানিয়েছে, যেন দেশটি আফগানিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরায় চালু করে।

তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, আমরা আশা করছি, যুক্তরাষ্ট্র কাবুলে তাদের কূটনৈতিক মিশন পুনরায় চালু করবে। কাবুলে তাদের শুধুমাত্র কূটনৈতিক উপস্থিতি থাকা উচিত। আমরা তাদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখতে চাই।

গত দুই দশকে বিশ্বের প্রায় ৩৬টি দেশ কাবুলে দূতাবাস খোলে। বিপরীতে ওই দেশগুলোতে ৭১টি দূতাবাস ও কনস্যুলেট খোলে আফগানিস্তান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, দূতাবাস বন্ধের ঘটনা আফগানিস্তানকে একঘরে করে ফেলবে। আর যদি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন না পায় তবে আফগানিস্তান গভীর সংকটের মধ্যে পড়বে।