স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের জরুরি সভায় শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের জোর দাবি

ঢাকা অফিস: স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন এর এক জরুরি সভা আজ ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকাল ৪টায় স্বাশিপ এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে (৫-বি,১২/১৩ রাজিয়া সুলতানা রোড,মোহাম্মদপুর,ঢাকা) অনুষ্ঠিত হয়।

ফেডারেশনের প্রধান সমন্বয়কারী ও স্বাশিপ সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ শাহজাহান আলম সাজু’র সভাপতিত্বে উক্ত সভায় ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত স্বাশিপের সহ-সভাপতি মেহেরুন্নেছা ও যুগ্ম-সম্পাদক সাইদুর রহমান পান্না, বাংলাদেশ অধ্যক্ষ পরিষেদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ নুর হোসেন, স্বাধীনতা মাদরাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি আবু নাঈম মোস্তাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রধান শিক্ষক সমিতি সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম ওবায়দুল্লাহ, বাংলাদেশ বেসরকারি কারিগরি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ এ কে এম মোকসেদুর রহমান, বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ হারুন-অর-রশিদ ও সহ-সভাপতি মোঃ সুলতান মাহমুদ, স্বাধীনতা নন এমপিও শিক্ষক কর্মচারী পরিষদের প্রতিনিধি ওবায়দুল হক, স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক পরিষদের মহাসচিব মোঃ শামসুল আলম, বাংলাদেশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি এম আরজু ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি শাহজাহান খান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রউফ ছাড়াও স্বাশিপ সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ তেলোয়াত হোসেন খান, সমাজ সেবা সম্পাদক অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, দফতর সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র সাহা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সভায় বিশ্ব মহামারি করোনা ভাইরাসের জন্য স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের পূর্বনির্ধারিত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশ স্থগিত করে ভার্চুয়াল আলোচনা সভার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। উক্ত সভায় মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করায় তাকে ধন্যবাদ জানানো করা হয়।

সভায় মুজিব জন্মশতবর্ষেই শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের জোর দাবি জানানো হয়। সভায় বলা হয়, বর্তমান শিক্ষা বান্ধব প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র সরকার বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য ৫% ইনক্রিমেন্ট, ২০% বৈশাখী ভাতা, কল্যাণ ও অবসর বোর্ডের জন্য সরকার ১ হাজার ৬শ’ ৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে অবসরকালিন শিক্ষক কর্মচারীদের অবসরোত্তর দায় গ্রহণ এবং এনটিআরসির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের কাজ ৮০% এগিয়ে গেছে।

সভায় শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের অন্তর্বর্তীকালীণ সময়ের মধ্যে ননএমপিওভুক্ত (অনার্স মাস্টার্স,স্বতন্ত্র এবতেদায়ী সহ) প্রতিষ্ঠানের এমপিও, বদলী বাস্তবায়ন, কলেজ শিক্ষকদের রেসিও প্রথা বাতিল, হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য বাতিল সহ স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের ৯ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য জোর দাবি জানানো হয়।

সভায় কোন হটকারী কর্মসূচির মাধ্যমে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে শিক্ষক নামদারি কেউ যেন শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিকে নস্যাৎ করতে না পারে সে জন্য সম্মানিত সকল শিক্ষককে সতর্ক থাকার আহবান জানান। সভায় করোনার মধ্যে শিক্ষক কর্মচারীদের দুরাবস্থার মধ্যেও জীবনের ঝুকি নিয়ে কল্যাণ ও অবসর বোর্ডের কর্মকাণ্ড চালু রেখে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক কর্মচারীকে কল্যাণ ও অবসর বোর্ডের টাকা প্রদান করার জন্য কল্যাণ ও অবসর বোর্ডের সচিবদ্বয় সহ সংস্থা দুইটির সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের ধন্যবাদ জানানো হয়।
শীর্ষবাণী/এনএ