রায়েরবাজারে সাবেক স্বামীর ছুরিকাঘাতে নারীর মৃত্যু, আদাবরে শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার

ঢাকা অফিস : রাজধানীর রায়েরবাজারে তালাকপ্রাপ্ত স্বামীর ছুরিকাঘাতে ঝর্ণা আক্তার (২৬) নামে এক নারীর খুন হয়েছেন। আজ শুক্রবার সকালের দিকে মেকআপ রোড এলাকার এক বাসায় এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকারীর নাম মো. সোহাগ (২৯)। ঘটনার পর সোহাগ পলাতক রয়েছেন। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপর দিকে আদাবরে আজ দুপুরের এক শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ঝর্ণা আক্তার খুনের ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানার ওসি আবদুল লতিফ জানান, একমাস আগে ওই দম্পতির সংসার ভেঙে যায়। তাদের ঘরে ১১ বছর ও ৪ বছর বয়সের দুইটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। তারা রায়েরবাজারের মেকআপ রোডে এক বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। তালাকের পর ঝর্ণা ওই বাসায় থেকে যায়। সঙ্গে ঝর্ণার মা, নানী ও তার দুই মেয়ে সন্তানসহ থাকতেন। সোহাগ পেশায় সবজি বিক্রেতা। তালাকের পর সোহাগ অন্য জায়গায় চলে যায়।

ওসি আরও জানান, সোহাগ শুক্রবার সকালে ঝর্নার বাসায় যায়। এরপর কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে রান্নাঘর থেকে শিল এনে ঝর্নার মাথায় আঘাত করে। এ সময় ঝর্নাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। ঘটনাস্থলেই ঝর্নার মৃত্যু হয়। হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি ফেলে দিয়ে সোহাগ পালিয়ে যায়। সোহাগের দেশের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচরে। আর ঝর্ণার বাড়ি বরিশালের মুলাদীতে। ঘটনার পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় ঝর্ণার পরিবারের পক্ষ থেকে সোহাগকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত সোহাগকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার
রাজধানীর আদাবর এলাকায় পাঁচ বছরের এক শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদাবর থানার ওসি কাজী শাহিদুজ্জামান । তিনি জানান, আদাবর বাজারের পানির পাম্প সংলগ্ন এক বাড়ি থেকে পাঁচ বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘটনার তাৎক্ষণিক বিস্তারিত জানা যায়নি। পুলিশ সদস্যরা খোঁজখবর নিচ্ছেন। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

এলাকাবাসী জানিয়েছে, আদাবর বাজার সংলগ্ন বাসায় বাবা-মার সঙ্গে থাকতো পাঁচ বছরের সাদিয়া। আজ দুপুর ১২টার দিকে সাদিয়ার বাবা শাজাহান কাজে বেরিয়ে যান। পরে মা রুমে গিয়ে দেখে সাদিয়ার রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।

এদিকে, এ ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে সিআইডির ক্রাইম সিন ঘটনা স্থলে পৌঁছেছে। তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা এখনো কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি।