`রমাদান তাওবা কবুলের মোক্ষম সময়’

ড. মোহাম্মদ অলী উল্যাহ : আলহামদুলিল্লাহ্। করুনাময়ের অপার মহিমায় আমরা ১১তম সিয়ামের সকাল অতিক্রম করলাম। আজকের বিষয় “রমাদান তাওবা কবুলের মোক্ষম সময়”। মানুষ হিসেবে গুণাহ করা আমাদের স্বভাবজাত ব্যাপার।গুণাহগারদের মধ্যে আল্লাহ্ তাআলার কাছে সবচাইতে প্রিয় হলো তাওবাকারী। বান্দা গুনাহর জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হয়ে ভবিষ্যতে আর কখনো গুনাহ করবে না এই অঙ্গিকার নিয়ে তাওবা করলে আল্লাহ যত খুশী হন বান্দার অন্য কোন কাজে এত খুশী হন না। আল্লাহ্ তাআলা দিনের বেলায় সংঘটিত পাপ মোচনের জন্য রাতে তাঁর হাত বাড়িয়ে দেন; আবার রাতের বেলায় সংঘটিত পাপ মোচনের জন্য দিনের বেলায় হাত বাড়িয়ে দেন। এবং সূর্য পশ্চিমে উদিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এভাবে চলবে। (সহীহ মুসলিম) সুবহানাল্লাহ!

রাসূল স. বলেছেন, ঐ ব্যক্তির নাক ধূলায়িত হোক যে রমাদান পেয়েও গুণাহ মাফ করাতে পারলনা। (তিরমিযী ও হাকিম) আল্লাহ্ তাআলা রমাদানে আমাদেরকে বেশী বেশী তাওবা করার তাওফিক দান করুন।

রমাদানের শিক্ষা পরিবর্তন নিয়ে আসুক আমাদের প্রাত্যহিক কর্মে, ফিরিয়ে আনুক আমাদের গৌরবোজ্জ্বল অতীতকে এই কামনায়। আমীন।

লেখক : ড. মোহাম্মদ অলী উল্যাহ
অধ্যাপক, দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, কুষ্টিয়া।