‘মুজিববর্ষের আহ্বানে, চরফ্যাশনে পানিউন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

মাইন উদ্দীন জমাদার: ‘মুজিববর্ষের আহ্বান, লাগাই গাছ বাড়াই বন’ প্রতিপাদ্য ধারণ করে সারা দেশে ন্যায় চরফ্যাশনের পানি উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন -২ সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে বেতুয়া লঞ্চঘাট সংলগ্ন বেড়ি বাধে বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সচিব মাহামুদু হাসান এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এই সময় তিনি বলেন, জলবায়ূর পরিবর্তন রোধে সামাজিক বনায়নের কোনো বিকল্প নেই। মানুষের জীবন বাঁচাতে বৃক্ষের গুরুত্ব অনেক। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। কাজেই আমরা সবাই এ বর্ষায় গাছ রোপন করে দেশকে আরো প্রাকৃতিকবন্ধন হিসাবে গড়ে তুলতে চাই।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চরফ্যাশনের পানি উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন -২ নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহামুদ, চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রুহুল আমিন, ও উপবিভাগিয় প্রকৌশলী পানিউন্নয়ন বোর্ড চরফ্যাশন মিজানুর রহমান সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
চরফ্যাশনের পানি উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন -২ নিবার্হী প্রকৌশলি হাসান মাহামুদ বলেন, বৃক্ষ রোপন ও পরিচর্যার মত এ ধরণের উদ্যোগ পূর্বেই নেওয়া জরুরি ছিল। জন্মের পর একটি শিশুর সুষ্ঠু বিকাশের জন্য যেমন সঠিক যত্ন ও পরিচর্যার প্রয়োজন, বৃক্ষের ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই। তাই বৃক্ষ রোপনের পাশাপাশি আমাদেরকে বৃক্ষ পরিচর্যায় অনেক গুরুত্ব দিতে হবে।

চরফ্যাশন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো: রুহুল আমিন বলেন, বৃক্ষের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার সহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রতি বছর বৃক্ষ রোপন করে যাচ্ছে। কিন্তু এই বপনকৃত বৃক্ষের সঠিক পরিচর্যার অভাবে সেগুলো সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পরে না। আমাদের দেশে ১৯৯৭ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত যত বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে সেগুলো যদি সঠিকভাবে পরিচর্যা করা যেতো তাহলে এদেশে সবুজ বনভূমির পরিমাণটা অনেকগুণেই বেড়ে যেতো।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে চরফ্যাশনের পানি উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন -২ পক্ষ থেকে বেড়ি বাঁধে ১০ হাজার বৃক্ষ রোপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে আমলকি, হরতকি, বহেরা, লেবু, ডালিম, তেঁতুল, আমড়া, জারুল, অর্জনসহ নানা প্রকার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রয়েছে। কর্মকর্তারা মনে করছেন মুজিববর্ষে সারা দেশে ন্যায় চরফ্যাশনের বেড়ি বাঁধে রোপিত গাছগুলি ‘স্মারক বৃক্ষ’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
শীর্ষবাণী/প্রতিনিধি/এনএ