নেপালকে করোনার সুরক্ষা ও চিকিৎসা সামগ্রী পাঠাল বাংলাদেশ

ঢাকা অফিস : সার্ক তহবিলের আওতায় বন্ধু রাষ্ট্র নেপালকে বিপুল পরিমাণ করোনা সুরক্ষা ও চিকিৎসা সামগ্রী দিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন মঙ্গলবার ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. বংশিধর মিশ্রের হাতে প্রদেয় করোনার উপসর্গ নিরোধ ওষুধ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীর অংশবিশেষ হস্তান্তর করেন। সার্কভুক্ত রাষ্ট্রগুলো পরস্পরিক সহায়তায় নিজস্ব তহবিল গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশেও ‘সার্ক কোভিড-১৯ জরুরি তহবিল’ গঠিত হয়েছে। সেই তহবিলের আওতায় বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে নেপালের বন্ধুপ্রতীম জনগণের প্রতি বন্ধুত্বের নিদর্শন স্বরূপ ওই উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। এসব উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশের তৈরি রেমিডেসিভির ইনজেকশন, পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং ফ্লোর ক্লিনার।

হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী করোনা প্রতিরোধে বাংলাদেশের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং উন্নত দেশসমূহে বাংলাদেশের উন্নত মানের ওষুধ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী রপ্তানির বিষয়টি উল্লেখ করেন। নেপালের রাষ্ট্রদূত করোনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপ এবং এদেশের উদ্যোক্তা ও ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাংলাদেশ গৃহীত কার্যক্রম থেকে শিক্ষা নেয়ার অনেক কিছু রয়েছে বলেও তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। এছাড়া সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে এ ধরনের সহযোগিতা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে বলেও রাষ্ট্রদূত বংশিধর মিশ্র দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কোভিডের সূচনাতে অর্থাৎ চলতি বছরের মার্চ মাসে সার্ক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত একটি ভিডিও কনফারেন্স “সার্ক কোভিড-১৯ জরুরি তহবিল” গঠন বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়, যা নিজ নিজ দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। উক্ত তহবিলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫ লাখ মার্কিন ডলার প্রদান করেছেন। ওই ১৫ লাখ টাকার তহবিল বাংলাদেশই ব্যয় করছে।