চরফ্যাশনে ঈদে পোশাক কেনাকাটায় ভিড়, মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

আমিনুল ইসলাম, চরফ্যাশন: ভোলার চরফ্যাশনে ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে পোশাকের দোকানগুলোতে ক্রেতার ভিড় বাড়ছে৷ কিন্তু এসব দোকানে পোশাক কেনাবেচার সময় মানা হচ্ছে না কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি৷ উপজেলা প্রশাসন বা সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোরও সচেতনতা আগের মতো চোখে পরছে না৷

চরফ্যাশন বাজারের কাপড়ের মার্কেটগুলো সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ঈদের কেনাকাটার জন্য আল হেলাল বস্রবিতান, দুলাল গার্মেন্টস, দেবশ্রী বস্ত্র বিতান, শিমলা গার্মেন্টস, কাকলি বস্ত্রালয়, প্রিন্স বিতানসহ রাস্তার পাশে হকারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়৷ কেনাকাটার ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা থাকলেও ক্রেতা-বিক্রেতারা তা মানছেন না৷

শপিংমলে ক্রেতাদের প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থা নেই৷ কারো হ্যান্ড গ্লাভস, মুখে মাস্ক লক্ষ করা যায়নি৷ মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব৷ বিশেষ করে পোশাক ও জুতার দোকানে নারীদের বেশি ভিড় লক্ষ্যণীয়৷ তার সঙ্গে শিশু সন্তানদের নিয়ে এসেছে যা সবচাইতে অমানবিক৷

মাস্ক ছাড়া কয়েকজন ক্রেতার কাছে মাস্ক না ব্যবহারের কারণ জানতে চাইলে কেউ কেউ বলেন মাস্ক এর ফিতা ছিড়ে গেছে, মাস্ক আনতে মনে নেই, এখনই কিনে নেবো, আবার কেউ কিছু না বলে দ্রুত চলে যায়৷

আউটলুক পাঞ্জাবী হাউজের মালিক সাইফুল ইসলাম ও এম এস স্টাইল জোনের মালিক সোলাইমান মালতিয়া জানান, আমরা ক্রেতাকে মাস্ক সম্পর্কে কিছু বললে তিনি আর দোকানে আসবেন না৷ যার কারণে তাদেরকে কিছু বলতে পারছি না৷

চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শোভন বসাক শীর্ষবাণীকে বলেন,ঈদের এসময়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানা হলে পূর্বের তুলনায় করোনা সংক্রমণ অনেক বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ এ সময় মাস্ক বিহীন চলাফেরা একেবারেই ঠিক নয়৷ আমাদের এই মহামারী থেকে বাঁচতে হলে সচেতন হতে হবে এবং সেভাবে চলতে হবে৷

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন শীর্ষবাণী ডটকমকে জানান, আমরা প্রায়ই বাজারগুলোতে অভিযান পরিচালনা করছি এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা বা অনেককে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করছি। ঈদকে সামনে রেখে আমাদের তৎপরতা আরো বৃদ্ধি করা হবে৷
শীর্ষবাণী ডটকম/এনএ